ঝিনাইদহের ডাকবাংলায় পিতার সৃকৃতির দাবিতে মায়ের সাথে করে বাবর বাড়ি সন্তানের অবস্থান , বিচারের বানী নিরবে কাঁদে,

মহিলা ইউপি সদস্য সাগরির গায়ে চুলকানি কেন?

স্টাফ রিপোর্টার॥

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা উত্তর নারায়নপুর গ্রামে এক মেয়ে তার বাবার সৃকৃতি আদায় করতে মাকে সাথে নিয়ে বাবার বাড়ি উঠেছে। তিন দিন পার হয়ে গেলেও বাবার সৃকৃত্তি আদায় করতে পারেনি,নাখেয়ে পড়ে আছে বাবার বাড়ির সিড়ি ঘরেরে নিছে।

যানা গেছে উত্তর নারায়নপুর গ্রামে মৃত ডা. খাদেমুল হকের ছেলে মেহেদী হাসান বাবু সাধুহাটি ইউনিয়নের মাগুরা পাড়া গ্রামের মেয়ে রেকছোনা খাতুনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠ। গোপনে তাদের বিয়ে হয়। বাবু ও রেকছোনা খাতুনের প্রেমের ফসল মারিয়া (৯) তাকে নিয়ে শুক্রবার থেকে অবস্থান করছে মেহেদী হাসান বাবু বাড়িতে রেকছোনা আক্তার।

রেকছোনা জানান প্রথম বিয়ে ২০০৯ সালে । কিছু দিনের মধ্যে রোকসানার গর্ববতি হয়। কিন্তু দুই পরিবারের চাপের মুখে বাবুকে ডিভোর্জ দিতে হয়।এর পর রেকছোনার কোল জুড়ে ফুটফুটে কন্য শন্তান জন্ম নেই। সন্তানের মুখ দেখতে মেহেদী হাসান বাবু মরিয়া হয়ে উঠে, শুরু হয় আবারো প্রেমের সম্পর্ক ।

২৫শে ডিসেম্বর ২০১১ সালে মেহেদী হাসান বাবু ও রোকসানার ২য় বারের বিবাহ হয়। এরপর শুরু হয় নতুন জীবন। নতুন জীবনের মাঝে চির ধরাতে ইউপি সদস্য সাগরি খাতুন কু-মন্ত্রও দিতে থাকে বাবুর মা ও বাবুকে। সেই কারনে বাবু এখন রেকছোনা ও ৯ বছরের মেয়ে কে অস্বীকার করছে। যার কারনে মা ও মেয়ে দু,জনেই বাবুর বাড়িতে মেয়ে বাবার অধিকার ,আর রোকছোনা স্বামীর অধীকার আদায় করতে ৪ দিন ধরে না খেয়ে পড়ে আছে ৯ বছরের মেয়ে বাবার অধিকার নিতে।

এমন সংবাদ জানার পর সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মৃত ডা. খাদেমুলের ছেলে বাবুর বাড়িতে এর সত্যতা মিলেছে।

এব্যাপারে রেকছোনা জানান, বাবা মা তাদের পছন্দের পাত্রের কাছে বিবাহ দেয়। কিন্তু বাবু আমাকে বিভিন্ন ভয়ভিতি দেখিয়ে এই স্বামীকে বাদদিয়ে বাবুকে বিবাহ করতে বাধ্য করে। একপর্যায়ে আমি তাকে ডির্ভোজ দিয়ে বাবুকে বিবাহ করি। এখন বাবু ও বাবুর পরিবার এবং মহিলা মেম্বর সাগরি আমাকে নিয়ে তাল বাহানা করছে ,

রেকছোনার বড়বোন জানান, রেকছোনার সাথে প্রথমে বিবাহ হবার পর তার পেটে বাচ্চা আসে। তখন পারিবারিক ভাবে ঝামেলা হলে রেকছোনাকে দিয়ে জোর করে বিভোজ করাই এবং কোটে মামলা করে। তারপর এই সন্তান হলে বাবু আবার তার সাথে যোগাযোগ করে রেকছোনাকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে যায় তখন আমি গ্রামে ফোনদিলে গ্রাম থেকে লোকজন যেয়ে বাবুর সাথে আবার ২০১১সালে বিয়ে হয়। আর এখন বাবু আমার বোন ও তার সন্তাকে অস্বীকার করছে। এর একটা সুষ্ঠ বিচার চাই।

এব্যাপারে ইউপি সদস্য সাগরি খাতুন জানান, এই মেয়েটা বাবুর স্বামী দাবী করে। মেয়েটা গতকাল এই বাড়িতে এসেছে এর আগে কখনো তাকে এই বাড়িতে দেখিনি।

বাবুর চাচা মতিয়ার রহমান জানান, আমার ভাতিজার সাথে এই মেয়ের একবার বিবাহ হয়। তখন তাকে ডিভোজ ও দিয়ে দেয়। তারপরও এই মেয়ে আমার ভাতিজার নামে মামলা করে। এই নিয়ে ধির্ঘ ১২/১৩ বছর ধরে ঝামেলা চলছে। এখন শুক্রবার এই মেয়ে তার সন্তান নিয়ে এসে দাবি করছে বাবু তার স্বামী এবং এই বাচ্চাটি বাবুর। তারপরও এখন তারা ২০১১ সালের বিবাহের কাবিন নামা দেখেচ্ছে।

সাধুহাটি ইউনিয়নের মাগুরা পাড়া ওয়ার্ডের মেম্বর মুরসালিন জানান, এই মেয়ের সাথে নারানপুর গ্রামের খাদেমুল ডাক্তারের ছেলে বাবুর প্রথমে বিবাহ হয়। কিন্তু দির্ঘদিন ধরে মেম্বরের কু-বুদ্ধির কারনে এই ছেলের মা বাবুর বউকে বাড়িতে উঠতে দিচ্ছে না। আমরা এলাকা বাসি সব ঘটনাই জানি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here